নকুল দার আদর
বিয়ের পরের দিন হঠাৎই এসে বাড়ির দরজায় টোকা মারল নকুল দা। ঘরে তখন আমি একা। চোখ মুছে দরজাটা খুললাম। নকুল দা দিব্যি ঘরে ঢুকে রাজার হালে সোফার উপর বসল। আমাকে ইশারায় বলল পাশে বসতে। এত কষ্টের মধ্যেও আমি একটু অবাক হলাম। কয়েক ঘণ্টাও পেরোয়নি বিয়ের। এরই মধ্যে হঠাৎ আমার বাড়িতে কেন? নকুল দা অবলীলায় নিজের হাতটা গলিয়ে দিল আমার ম্যাক্সির ভিতর। তারপর শুরু হল দুদুর বোঁটা গুলোয় আঙ্গুল দিয়ে সুড়সুড়ি দেওয়া। আমার মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত শিহরণ খেলে গেল। এই লোকটাকে আমি ভালোবাসতাম। অথচ সেই লোকটা আজকে অন্য কারুর স্বামী। তবুও সে আমার বুকে হাত ঢোকাচ্ছে। দলছে, পিষছে, মোচরাচ্ছে। নকুল দা জিন্সের চেনটা একটু ফাঁক করে সন্তর্পণে বের করে আনল ওর কালো বাঁড়াটা। যেটা দেখার জন্য আমি এতদিন ধরে সুযোগ খুঁজতাম, সেটা দর্শনের সৌভাগ্য অবশেষে হল। আমার চাউনি দেখে নকুল দা তাচ্ছিল্যের সুরে বলল- "চেয়ে চেয়ে দেখছিস কি? বস হাঁটু গেড়ে। চোষ মুখে নিয়ে।" একটা বিবাহিত লোকের বাঁড়া মুখে নিতে আমার একটু অস্বস্তি হল। খুব অভিমানও হল। নকুল দার বউ বকুল আর আমি একই বয়সী। প্রথম যখন আমার দুধ টেপা শুরু করেছিল নকুল দা, অদ্ভুত লেগেছিল। নকুল দা শিখ...